৩৬ সপ্তাহে গর্ভের সন্তানের ব্রিচ প্রেজেন্টেশন ও হোমিওপ্যাথি: মাতৃত্বের নতুন আলো

৩৬ সপ্তাহ পার…
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ধরা পড়ল—গর্ভের সন্তানের পজিশন উল্টো( Breach presentation) 

তৃতীয় গর্ভধারণ, আগেই দুই সন্তানের মা।
ডাক্তারের কণ্ঠে কঠিন বাস্তবতা—
“পজিশন বদলানোর সম্ভাবনা খুব কম, অপারেশনই একমাত্র পথ।”



মুহূর্তেই ভেঙে পড়লেন মা-বাবা দুজনই।
একদিকে সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তা,
অন্যদিকে জীবন সংগ্রামের বাস্তবতা—
টেইলারিং আর লন্ড্রির ছোট দোকান,
যেখানে প্রতিদিনের আয়ে চলে সংসার।

অনেক ক্ষেত্রে মডার্ন চিকিৎসার পর সব দরজা বন্ধ মনে হলেও মানুষ শেষ আশাটুকু আঁকড়ে ধরে হোমিওপ্যাথি কে নিয়ে। 
সেই আশার হাত ধরেই তারা আমার কাছে এলেন—
ভয়, অনিশ্চয়তা আর প্রশ্নভরা চোখ নিয়ে।

আমি গ্যারান্টি দিইনি।
চ্যালেঞ্জ নিইনি।
শুধু হোমিওপ্যাথির মূলনীতিতে বিশ্বাস রেখে চিকিৎসা শুরু করলাম।

দুই সপ্তাহ পর রিপোর্ট…
আল্ট্রাসনোগ্রাফির পর্দায় এক বিস্ময়—
বাচ্চার পজিশন নরমাল।

চোখে জল, মুখে হাঁফ ছাড়া হাসি।
এরপর শুধু অপেক্ষা…

EDD পার হয়ে ২০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর 
অবশেষে—
বাসায় স্বাভাবিক প্রসব।
কোনো জটিলতা নেই।
মা সুস্থ, শিশু সুস্থ।

এই অভিজ্ঞতা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিল—
অধৈর্যতা আর অবিশ্বাস মানুষকে অকারণেই অনেক বিপদের দিকে ঠেলে দেয়।
হোমিওপ্যাথিতে বহু জটিল সমস্যার সমাধান থাকা সত্ত্বেও এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে অবহেলার চোখে দেখার কারণে অনেক মানুষ আরোগ্যের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

এটা কোনো তর্ক নয়।
এটা আমার দেখা বাস্তবতা।
আমার অভিজ্ঞতা।

বিশ্বাস কখনো কখনো ওষুধের থেকেও বড় শক্তি মনে হলেও হোমিওপ্যাথি সেখানে পর্দার আড়ালে থাকে!!
>Share by:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন


Make a comments as guest/by name or from your facebook:


Make a comment by facebook:
নবীনতর পূর্বতন